
In their (TMC+RKM) wish to decelerate my advent in Bengal, they accelerate their own annihilation. Victory to the Goddess of Time! Joy Ma Kali!
Tamal Dasgupta Facebook Page, 1 June 2024

In their (TMC+RKM) wish to decelerate my advent in Bengal, they accelerate their own annihilation. Victory to the Goddess of Time! Joy Ma Kali!
Tamal Dasgupta Facebook Page, 1 June 2024

পৃথিবীতে হোমো স্যাপিয়েন্স অর্থাৎ বর্তমান মানুষ প্রজাতি আসার আগে থেকে মাতৃকা উপাসনা আছে। তিন লক্ষ বছর আগেকার মাতৃমূর্তি পাওয়া গেছে। পৃথুলা গর্ভিণী জগন্মাতা। গুগল করুন Venus of Berekhat Ram
ইনি মানুষ পূর্ব অন্য কোনও হোমিনিড প্রজাতি কর্তৃক পূজিত ছিলেন।
হোমো স্যাপিয়েন্স পূজিত প্রথম মাতৃমূর্তি, ম্যামথের দাঁতের তৈরি, পৃথুলা গর্ভিণী মাতৃকা। গলায় লকেটের মত, মাদুলির মত, এঁর ক্ষুদ্র মূর্তি ধারণ করা হত, মূর্তির উপরিতলে একটি ছিদ্র দেখে বোঝা যায়। আজ থেকে চল্লিশ হাজার বছর আগেকার, প্রাচীন প্রস্তর যুগের এই মাতৃমূর্তি। গুগল করুন, Venus of Hohle Fels
এই সময়কালেই পঁয়ত্রিশ হাজার বছর আগে আরেকটি পৃথুলা মাতৃমূর্তি। গুগল করুন Venus of Willendorf, এই মূর্তি পাথরের, এবং red ochre বা একপ্রকার সিঁদুরচর্চিত। এটিও প্রাচীন প্রস্তর যুগের।
এরপর নব্য প্রস্তর যুগে দেখি যে এই পৃথুলা লম্বোদরী মাতৃকার সিংহবাহিনী রূপ। আজ থেকে আট নয় হাজার বছর আগে। মা সিংহাসনে বসে, দুদিকে দুটি সিংহ। এটিই পৃথিবীর সবথেকে প্রাচীন সিংহবাহিনী মূর্তি। নব্য প্রস্তর যুগ। গুগল করুন, Seated Woman of Çatalhöyük
আজ থেকে এগারো হাজার বছর আগে মধ্য ভারতে প্রস্তর যুগের কালী মন্দির পাওয়া গেছে। প্রত্নবিদ কেনোয়ার এই বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ প্ৰবন্ধ লিখেছেন। জগজ্জননী মা একটি যোনিশিলায় পূজিত হচ্ছেন গত এগারো হাজার বছর ধরে একটানা, এবং স্থানীয় কোল আদিবাসীরা তাঁকে কালী নামেই ডাকে। গুগল করুন, Baghor Kali
আজ থেকে চার হাজার বছর আগে প্রথম যে প্রত্ন সভ্যতা গড়ে উঠেছিল বাংলার বুকে, অন্তিম হরপ্পা সভ্যতার সমসাময়িক সেই পাণ্ডু রাজার ঢিবির সভ্যতায় দেখি যে বলাকা মাতৃকা পূজিত হচ্ছেন। ইনি মা কালীর একটি সুপ্রাচীন রূপ, আমরা নানা শাস্ত্রীয় প্রমাণ উদ্ধৃত করে দেখিয়েছি।
মা তারার একটি প্রাচীন রূপ পাঁচ হাজার বছর আগে হরপ্পা সভ্যতায় পূজিত হতেন। ইনি জলদেবতা ছিলেন, এবং মৎস প্রতীকে পূজিত হতেন। এঁর প্রাচীন প্রাগৈতিহাসিক স্মৃতি আজকে নীল তারা, নীল সরস্বতীর মধ্যে প্রবহমান।
মায়ের ধর্ম আবহমান, মায়ের ধর্ম চিরন্তন। জয় মা কালী, জয় মা তারা, জয় জয় মা।
© কালীক্ষেত্র আন্দোলন
তমাল দাশগুপ্ত ফেসবুক পেজ, এক জুন দুহাজার চব্বিশ

তারাপীঠে বলির খড়্গ। দর্শনে শাক্তের মোক্ষলাভ, শাক্তদ্বেষকের মহাভয়।
ছবিটি কালিভক্তি ওয়েবসাইট থেকে।
জয় জয় মা।
তমাল দাশগুপ্ত ফেসবুক পেজ, এক জুন দুহাজার চব্বিশ

কালীতত্ত্ব এই বিশ্বজগতের সারাৎসার।
★ কাল, অর্থাৎ সময়ের কলন করেন, তাই কালী।
★ বিশ্ব বা ইউনিভার্স হল কালো, কারণ অসীম শূন্য, যেখানে কোনও রঙ বিচ্ছুরিত হওয়ার মত বস্তুপিণ্ড বা গ্রহ নক্ষত্র অতি নগণ্য, আবার সেই অসীম শূন্যমাঝে কোথাও কোথাও এমন অসীম ঘনত্বের ভরপিণ্ড, যে ব্ল্যাক হোল, কৃষ্ণ গহ্বর সৃষ্টি হয়েছে! বিগ ব্যাঙ এর আগে যা ছিল, আর বিশ্ব জগৎ শেষ হওয়ার পরে যা থাকবে, সেই অসীম কালো থেকেই আমরা উৎপন্ন ও বিলীন। সেজন্য আমাদের জগদকারণ জগদবিস্তার জগদবিলয় মা কালীর কালো রঙ।
টাইম আর স্পেস নিয়েই আমাদের এই জানা ও অজানা বিশ্বজগৎ।
★ তাঁর প্রসারিত জিহ্বা কালগ্রাস।
★ তাঁর নরমুণ্ডমালা হল বর্ণমালা, মানব সভ্যতার উন্মেষলিপি।
★ তাঁর পদতলে শবশিব অচেতন বস্তুজগৎ যা তাঁর পাদস্পর্শে শিবত্ব লাভ করে।
★ তাঁর হাতের খড়্গ সমস্ত জাগতিক মোহবন্ধন খণ্ডন করে, আমাদের তুচ্ছতার মায়াজাল থেকে মোক্ষলোকে উত্তীর্ণ করে।
★ তাঁর কটিদেশে ছিন্ন হস্তের মেখলা আমাদের কর্মফল হরণ করে। ফলহারিণী অমাবস্যা আসছে, আমরা সেই তিথিতে মায়ের এই ফল হরণ করার রূপটি বন্দনা করি।
★ তাঁর মুক্ত কেশ সমস্ত পার্থিব আবিলতা, মলিনতা, ক্লেশ ও অশান্তি থেকে অসীম মুক্তির প্রতীক। মুক্তকেশীর শক্ত বেড়া, তার কাছেতে যম ঘেঁষে না।
★ কালীনামের দাও রে বেড়া! কারণ এই চরাচর জুড়ে তিনি একাই আছেন, এই বিশ্বজগতে আর কিছু নেই। আমরা ক্ষুদ্র জীব, কিন্তু তাঁর ভরসা আছে বলে, তাঁর থেকে উৎপন্ন হয়ে তাঁতেই বিলীন হই বলে আমাদেরকে এমনকি যমও ছুঁতে পারে না।
★ যাঁর ভয়ে দক্ষিণদিকের অধিপতি যম ভয়ে পালিয়ে যান তিনিই দক্ষিণাকালী। আর যিনি সমস্ত বাম বা বিপরীত বিধি থেকে রক্ষা করেন, তিনিই বামাকালী। মা কালীর অসংখ্য রূপ, তিনি এক, কিন্তু অনেক। তিনি পুরুষ নারী ভেদাভেদের ঊর্ধ্বে। এজন্যই শাক্ত কবি গেয়েছেন, কালী কেবল মেয়ে নয়, কখনও কখনও পুরুষ হয়।
★ মা কালীর ইচ্ছায় জগৎ চলে। তাঁর ইচ্ছা মহাজাগতিক নিয়মে প্রকাশিত হয়, তাঁর ইচ্ছা আমাদের মত ক্ষুদ্র জীবের কর্মের মাধ্যমেও প্রকাশিত হয়। পঙ্কে বদ্ধ কর করী, পঙ্গুরে লঙ্ঘাও গিরি, কারে দাও মা ব্রহ্মপদ, কারে কর অধোগামী!
জয় মা কালী।
© কালীক্ষেত্র আন্দোলন
তমাল দাশগুপ্ত ফেসবুক পেজ, পঁচিশ মে দুহাজার চব্বিশ

আমার এই ফেসবুক পেজে বাঙালির ইতিহাস নিয়ে লিখতাম, আর লিখতাম কালীক্ষেত্র বাংলার আবহমান তন্ত্রধর্ম সম্পর্কে। এ দুটো বিষয়ই এখন আন্দোলনে পরিণত, আমি ছাড়াও অনেকে লেখেন যাঁরা আমার সহযোদ্ধা। মনে হচ্ছে তমাল দাশগুপ্ত Tamal Dasgupta পেজের কাজ ফুরিয়েছে, কারণ বাঙালির ইতিহাস গ্রূপে এবং কালীক্ষেত্র আন্দোলন পেজে এই বিষয়ে 24×7 কাজ চলছে আমাদের অনেকের উদ্যোগে।
এই পেজে এখন থেকে কেবলমাত্র mentoring ও organising এর কাজ করব। তন্ত্র কোর্স করাব, তার ঘোষণা থাকবে। আগামী দিনে তন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনার জন্য উদ্যোগ থাকবে। মা কালীর ধর্মসংগঠন নির্মাণ করতে হবে আমাদের, সেই কাজ করব। গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা থাকবে। এবং বাঙালির ঘরশত্রুদের বিধ্বস্ত করার প্রয়োজন হলেই এই পেজে অস্ত্র ধারণ করব। কিন্তু তা নয়ত গত পাঁচ বছর যেমন নিয়মিত লিখেছি বাঙালির মাতৃধর্মের আবহমান শেকড় নিয়ে তথ্যসমৃদ্ধ লেখা , এই পেজে আর তেমন হবে না। মা কালীর ইচ্ছা এটাই, আর আমি মায়ের বার্তাবহ আজ্ঞাবহ সন্তান হিসেবে সেই ইচ্ছার পালন করব।
সবাই বাঙালির ইতিহাস গ্রূপটি জয়েন করে রাখুন এবং কালীক্ষেত্র আন্দোলন পেজটি লাইক করে রাখুন।
আমি তন্ত্রধর্মী শেকড় পুনরুদ্ধার আন্দোলনের জন্ম দিয়ে গর্বিত। যদি বাঙালি এ যাত্রা বাঁচে, আমার ফেসবুক পেজ বাঙালির ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। যদি এই বিধ্বস্ত আত্মবিস্মৃত আত্মঘাতী বাঙালি আর না বাঁচে, তাহলে ফিনিক্সের মত যে পরবর্তী তন্ত্র সভ্যতার জন্ম হবে বাঙালির ধ্বংসস্তূপে, তাঁরা আমার পেজকে নিজেদের শেকড় বলে গণ্য করবেন।
অলমিতি বিস্তরেণ।
জয় জয় মা।
তমাল দাশগুপ্ত ফেসবুক পেজ, চব্বিশ মে দুহাজার চব্বিশ

এভাবেও ফিরে আসা যায়!
দীর্ঘ দুই দশক পর আমি আবার বাংলার ভোটার। এখানে শেষ ভোট দিই দুহাজার চার সালে, তখন বুদ্ধদেব জমানার মধ্যগগন।
আবার দিলাম দুহাজার চব্বিশে।
মাঝখানে কেটে গেছে কুড়ি বছর!
ঘরের ছেলের ঘরে ফেরা কিন্তু একেবারেই সহজ নয়, বিশেষত যদি আপনার ঘর হয় আজকের পশ্চিমবাংলায়। আমার স্ত্রী ঋতুর উদ্যম ছাড়া আমার বাংলায় ফেরা সম্ভব হত না। আমাকে দিল্লি থেকে বাংলায় ফেরানোর একগুঁয়ে উদ্যোগ তাঁরই। অনেকে বাঙালের গোঁ বলে বটে। ঘটির গোঁ তারা দেখেনি। ঋতুকে দেখলে রাঢ়ি ঘটির তেজ কাকে বলে বোঝা যায়।
ওদিকে, আজ আমার জন্মদিনও বটে।
এভাবেও উদযাপন করা যায়!
তমাল দাশগুপ্ত ফেসবুক পেজ, বিশে মে দুহাজার চব্বিশ

কৃত্তিকা কালী।
মায়ের অতি প্রাচীন রূপ কৃত্তিকা। নামটির আক্ষরিক অর্থ কর্তন করেন যিনি, কাটেন যিনি। কি কাটেন? সহজভাবে সরাসরি কালীক্ষেত্র আন্দোলনের শত্রুদের বলি, তিনি মায়ের সন্তানদের শত্রু ও দ্বেষকদের মুণ্ড কাটেন, মা সেজন্য মুণ্ডমালিনী। কিন্তু সে তো এক ক্ষুদ্র দ্যোতনা। আসলে মায়ের মালায় পঞ্চাশ মুণ্ড তো পঞ্চাশ বর্ণ, আমাদের বর্ণমালা মা কালীর প্রাচীন ধর্ম থেকে এসেছে, আর অক্ষর শব্দে প্রাচীন তান্ত্রিক অর্থ হল যার ক্ষয় নেই। কারণ তিনি নিত্যা, তিনি অক্ষয়া। অক্ষর লিখতে গেলে প্রাচীন যুগে শিলালিপি বা তামার লিপিতে খোদাই করে লিখতে হত, অর্থাৎ কাটতে হত। কৃত্তিকা!
আবার, নক্ষত্র। মা তারার নামের এক অর্থ তো এই তিনি তারণ করেন। কিন্তু আকাশের তারা, এই অর্থটিও আছে। দুটি অর্থ আবার তেমন আলাদাও নয়। কেন জানেন? হরপ্পা থেকে চন্দ্রকেতুগড় গঙ্গাল সভ্যতা থেকে পালযুগের সভ্যতা অবধি আমাদের তান্ত্রিক সভ্যতার প্রাচীন নাবিকরা ওই আকাশের তারা দেখেই সমুদ্র পার হতেন, যেভাবে মা তারা আমাদের ভবসমুদ্র পার করান।
কৃত্তিকারা ছয়জন মাতৃকা। এই গণমাতৃকা উপাসনা আমাদের সভ্যতার প্রাচীন স্মারক। মহাভারতের শল্য পর্বে সেকালের ভারতে পূজিত মাতৃকাদের তালিকা দেখলে বোঝা যায়, নানা নামে স্থানেশ্বরী মায়ের পুজো হত ভূভারত জুড়ে।
এই ষড় কৃত্তিকা বা সপ্ত মাতৃকা উপাসনার মাধ্যমে মায়ের বলিপ্রিয়া রূপটি উদ্ভাসিত। মা বলি গ্রহণ করেন। এই কৃত্তিকাদের ভয়াভয় রূপও গুরুত্বপূর্ণ, অর্থাৎ ভয় এবং অভয় দুইই প্রদান করেন। কৃত্তিকা হলেন স্কন্দমাতা, কৃত্তিকা দ্বারা পালিত তাই স্কন্দের নাম কার্তিক, কার্তিকেয়। আকাশের তারায় আমাদের মাতৃকাগণ অধিষ্ঠান করেন, আমাদের মাথার ওপরে রাতের আকাশ সেজন্য এত মায়াময়।
কৃত্তিকা। মা খণ্ডন করেন। মা অদ্ভুত ভবমোহ কাটেন। মা আমাদের কর্মফল কাটেন, তাঁর কটিদেশে সেজন্য কর্তিত হাতের মেখলা। আর এক পক্ষকাল পরেই জ্যৈষ্ঠ অমাবস্যা, মা ফলহারিণী কালীর পুজো হবে বাংলা জুড়ে। মা আমাদের কর্মফল কাটেন।
কৃত্তিকা! মাতৃকাধর্মের এক সুপ্রাচীন রূপ। ওঁরা এক, কিন্তু অনেক। ওঁরা প্রাচীন ভগ্নী, ওঁদের সমবেত অধিষ্ঠান ঘটে আমাদের মাতৃভূমি জুড়ে। কালী তাই বাংলা জুড়ে বড় মা মেজ মা ছোট মা এমন অসংখ্য সম্বোধনে ভূষিত, যা প্রাচীন কৃত্তিকাগণের উপাসনাযান।
কৃত্তিকা নামটির প্রাগৈতিহাসিক দ্যোতনা থাকতে পারে। হয়ত প্রাচীন প্রস্তর যুগে যে মাংস কর্তন অথবা ফল ছেদন করার অস্ত্র তৈরি করতেন আমাদের পূর্বসূরী, তখন থেকেই কৃত্তিকা আছেন।
আদ্যা! নিত্যা! অক্ষয়া! অক্ষরা! ধ্রুবা! অব্যক্তা! মুণ্ডমালিনী! মা কালীর এই কৃত্তিকারূপ আমাদের শাক্ত ধর্মের সেই সুপ্রাচীন ধাঁধার বহিঃপ্রকাশ। ব্রহ্মাণ্ড ছিল না যখন, মুণ্ডমালা কোথায় পেলি। মা কৃত্তিকা, সেজন্যই তো মুণ্ডমালা পেয়েছেন।
পরবর্তী যুগে এক মা চামুণ্ডা বাদে বাকি সব সপ্তমাতৃকাদের appropriate করা গেছে বিভিন্ন পুরুষ দেবতার শক্তি হিসেবে। কিন্তু কৃত্তিকাগণ থেকে গেছেন স্বাধীন। কৃত্তিকা কোনও পুরুষ দেবতার শক্তি নন। ওঁরা আসলে নারী পুরুষের অনেক ঊর্ধ্বে। কালী কেবল নারী নয়। মাতৃরূপ আসলে জগন্মায়া। কালী যেমন এক, তাও অনেক। যেমন তিনি ছয়জন কৃত্তিকা, যেমন তিনি সপ্ত মাতৃকা, যেমন তিনি দশ মহাবিদ্যা, যেমন তিনি চৌষট্টি যোগিনী!
কৃত্তিকা! যিনি কেটে ফেলেন।
মা। এই বাংলার বুকে বসে যারা মায়ের ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করে, সেই সব অন্তর্ঘাতক শত্রু, সেই সব দ্বেষক ছাগদের মুণ্ড আপনি কেটে ফেলুন। আপনি আকাশের নক্ষত্রগণের মত আমাদের ভূত ভবিষ্যৎ বর্তমানের নির্মাণ করে দিন।
মা কালী সারা বাংলা জুড়ে স্থানেশ্বরী অধিষ্ঠাত্রী মাতৃকা হিসেবে পূজিত হন, প্রত্যেক জায়গায় তাঁর আলাদা আলাদা নাম, প্রত্যেক কালী পুজোর আলাদা আলাদা তিথি। বাংলায় এজন্য বারো মাসই মা কালীর মাস, পুরো বাংলাই কালীক্ষেত্র। এই ধারাতেই বৈশাখ মাসের শেষ মঙ্গলবার মা কৃত্তিকা কালীর বার্ষিক পুজো শুরু হয় শান্তিপুরের গোবিন্দপুরে। ছবিতে দেখছেন মা কৃত্তিকা কালী।
© কালীক্ষেত্র আন্দোলন
তমাল দাশগুপ্ত ফেসবুক পেজ, আঠেরো মে দুহাজার চব্বিশ

আমি একটি সতর্কবার্তা দিচ্ছি। সোশ্যাল মিডিয়ায় যারা বাংলা ভাষায় লেখেন, কিন্তু বাঙালির প্রাণের মাতৃধর্মকে অবজ্ঞা করেন, এড়িয়ে চলেন, মা কালীর নামই করেন না, এমন তন্ত্রদ্বেষক সকলের জন্য। স-ক-লে-র জন্য।
এই যে আপনারা বাংলা অক্ষর ব্যবহার করছেন, নিজেদের কন্টেন্ট বানাচ্ছেন, অনুগ্রহ করে তার জন্য শুল্ক দিন।
মা কালীর নাম করুন।
কারণ এই বাংলা বর্ণমালা মাতৃধর্মী, আর কালী পঞ্চাশৎ বর্ণময়ী। এই বাংলা ভাষাটি তন্ত্রের সম্পত্তি, এই বাঙালি সংস্কৃতি যার থেকে পুষ্ট হয়েছে আমাদের ভাষা, সেই সংস্কৃতি আমাদের আবহমান তন্ত্রের আশ্রয়ে বেড়ে উঠেছে।
আর আপনারা মায়ের নাম বাদ দিয়েই নিজেদের ব্যবসাপাট চালাচ্ছেন?
মা কালীকে বর্জন করে আপনারা যারা স্বার্থপরের মত বাংলা ভাষার ব্যবহার করেন নিজের নিজের স্বার্থান্বেষণ সুবিধার্থে, মা কালী আপনাদের মঙ্গল করুন। আপনাদের উদ্দেশ্যে এই একটি কথাই বলব।
দিনে দিনে বহু বাড়িয়াছে দেনা শুধিতে হইবে ঋণ!
জয় মা কালী। জয় জয় মা।
★ তমাল দাশগুপ্ত Tamal Dasgupta
তমাল দাশগুপ্ত ফেসবুক পেজ, চোদ্দ মে দুহাজার চব্বিশ

মা কালীর নাম করুন। এই পৃথিবীতে আমাদের প্রত্যেকের পথ আলাদা, পেশা আলাদা। আমাদের কর্মশক্তি আলাদা, কামনা আলাদা। আমাদের জীবন ভিন্ন, যন্ত্রণা ভিন্ন। কিন্তু মা কালীর নাম সেই অমৃত যা আমাদের সকলকে একসঙ্গে মোক্ষলোকে উত্তীর্ণ করে। জয় মা কালী। জয় জয় মা।
তমাল দাশগুপ্ত ফেসবুক পেজ, চোদ্দ মে দুহাজার চব্বিশ

তন্ত্র কিভাবে আপনার ব্যক্তিগত জীবনে উন্নতি আনতে পারে, আপনার মানসিক শক্তির সবোর্চ্চ শিখরে পৌঁছতে সাহায্য করতে পারে, স্বপ্ন পূরণে সাহায্য করতে পারে, আজকের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির নতুনত্বের পরিপূরক হতে পারে, সর্বোপরি তন্ত্র কিভাবে একুশ শতকের বাঙালি এবং সারা পৃথিবীর মানুষের জন্য উপকারী হতে পারে?
এই প্রশ্নটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমরা তন্ত্র সাক্ষরতা কোর্সে এই বিষয়টির সীমিত আলোচনায় গেলেও পূর্ণাঙ্গ আলোচনার জন্য একটি আলাদা কোর্স ডিজাইন করছি। তন্ত্র ফর টোয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরি।
এতে আমরা ব্যক্তিগত মনোসংযোগের জন্য এবং মানসিক শক্তি উন্নতিসাধনের জন্য বিভিন্ন রকমের যোগ (হঠযোগ, কুণ্ডলিনীযোগ সহ) সম্পর্কে আলোচনা করব। বিখ্যাত সমাজবিজ্ঞানী ইউভাল হারারি নিজে নিয়মিতভাবে বিপাসনা যোগ করে থাকেন।
কালী চতুর্বর্গময়ী। আমরা তন্ত্রের ধর্ম অর্থ কাম এবং মোক্ষ বর্গের বিভিন্ন মার্গ, যান বা আম্নায় আলোচনা করব।
এই কোর্সে জনপ্রিয় বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখার সঙ্গে তন্ত্রের ঘনিষ্ঠ সংযোগ নিয়ে আলোচনা করব আমরা। প্রাচীন বিজ্ঞানের সঙ্গে তন্ত্রের সম্পর্ক নিয়েও বলা বাহুল্য আলোচনা থাকবে। তন্ত্রের আদ্যা নিত্যা অব্যক্তা জগদকারণ প্রকৃতি কোনও আল্লা ঈশ্বর গড ধরনের মানবকল্পনা নন। এই জ্ঞাত ও অজ্ঞাত বিশ্বচরাচর তাঁর প্রকাশ, তিনিই একমাত্র সত্য।
বর্তমান এবং আগামীর জন্য তন্ত্র যেভাবে আমাদের প্রস্তুত করতে পারে সেই বিষয়ে আলোচনা থাকবে এই কোর্সে।
দেহভাণ্ড সম্পর্কে তন্ত্রের প্রজ্ঞা কাজে লাগিয়ে আমরা আমাদের দেহকে মায়ের অসীম অজ্ঞেয় শক্তির পীঠস্থান হিসেবে গড়ে তোলার সাধন প্রক্রিয়া সম্পর্কে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক জ্ঞান সম্পর্কে জানব।
তন্ত্রের সুচিন্তিত প্রয়োগের মাধ্যমে কিভাবে নিজ নিজ ক্ষেত্রে সফল হওয়া সম্ভব, আমরা জানব।
সঙ্গে থাকুন।
★ তমাল দাশগুপ্ত Tamal Dasgupta
জয় মা কালী, জয় জয় মা।
তমাল দাশগুপ্ত ফেসবুক পেজ, তেরো মে দুহাজার চব্বিশ