মা তারার মূর্তিরূপ তন্ত্রসারে যেমন বর্ণিত হয়েছে: তারিণী ধ্যানমন্ত্র – তমাল দাশগুপ্ত

মা তারার মূর্তিরূপ বর্ণনা তন্ত্রসারে যেভাবে পাই: তারিণী ধ্যানমন্ত্র।

প্রত্যালীঢ়পদাং ঘোরাং মুণ্ডমালাবিভূষিতাং।
খর্ব্বাং লম্বোদরীং ভীমাং ব্যাঘ্রচর্মাবৃতাং কটো।
নবযৌবনসম্পন্নাং পঞ্চমুদ্রাবিভূষিতাং।
চতুর্ভুজাং ললজিহ্বাং মহাভীমাং বরপ্রদাং।
খড়্গকর্ত্তৃসমাযুক্ত সব্যেতরভুজদ্বয়াং
কপালোৎপলসংযুক্ত-সব্যপাণিযুগান্বিতাং।
পিঙ্গোগ্রৈকজটাং ধ্যায়েন্মৌলাবক্ষোভ্যভূষিতাং।
বালার্কমণ্ডলাকার লোচনত্রয়ভূষিতাং।
জ্বলচ্চিতামধ্যগতাং ঘোরদ্রংষ্টাং করালিনীং।
সাবেশস্মেরবদনাং স্ত্র‍্যলঙ্কারবিভূষিতাং।
বিশ্বব্যাপকতোয়ান্তঃশ্বেতপদ্মোপরিস্থিতাং।

★মা তারা প্রত্যালীঢ়পদে অবস্থান করেন, তিনি ঘোরদর্শনা, ভয়ঙ্করাকৃতি, তিনি খর্ব এবং লম্বোদরী।

★ মা তারা গলদেশে নৃমুণ্ডমালিনী, এবং কটিদেশে ব্যাঘ্রচর্মধারিণী।

★মা তারা নবযুবতী, পঞ্চমুদ্রাদ্বারা বিভূষিতা (পঞ্চমুদ্রা অর্থ তন্ত্রসারে বলা হয়েছে শ্বেতাস্থি নির্মিত পট্টিকা চতুষ্টয় এবং নরকপাল)।

★ মা তারা চতুর্ভুজা, লোলজিহ্ব, মহাভীমা এবং বরপ্রদা।

★ মা তারার ডান হাতে খড়্গ এবং কর্তৃ। বাম হাতে নরমুণ্ড এবং উৎপল।

★ মায়ের শিরদেশে পিঙ্গল জটা, কপালে অক্ষোভ্য (একজন তথাগত বুদ্ধ) বিরাজ করেন।

★ শিশু সূর্যের মত মা তারার তিনটি চোখ।

★ জ্বলন্ত চিতার মধ্যে মা তারা বিরাজ করেন। তাঁর দন্তরাজি ঘোর এবং করাল।

★ কিন্তু মা হাসিমুখে আছেন স্বীয় আবেশে। তিনি বিবিধ অলঙ্কারে ভূষিত।

★ বিশ্বব্যাপী জল, তার মধ্যে শ্বেতপদ্মের ওপরে মা তারা অবস্থান করছেন, এইভাবে মায়ের মূর্তি ধ্যান করতে হয়।

জয় মা তারা। জয় জয় মা।

© তমাল দাশগুপ্ত Tamal Dasgupta

মায়ের ছবি টুইটার থেকে।

তমাল দাশগুপ্ত ফেসবুক পেজ, ঊনত্রিশ নভেম্বর দুহাজার বাইশ

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s